🔴 মুসলিম জাহানের সবচেয়ে দুর্বিসহ দিন ছিলো আজ।
গলা দিয়ে পানি নামছে না ইফতারে। একজন মেয়ের বাবা হিসেবে এসব সহ্য হওয়ার মতো না। চুক্তি ভঙ্গ করে গা*যযাতে ভয়াবহ হামলা করে যাচ্ছে হিজরাইল। সাথে পরোক্ষ মদদ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আগামী কয়েক মাসে হয়তো গায*যাকে নিশ্চিহ্ন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এরা। এর প্রভাব পড়বে মধ্যপ্রাচ্যে। এর আঁচ লাগবে আমাদের গায়েও।
এদিকে ২০৩০/৩৫ সালের মধ্যে এশিয়ার ম্যাপে বড় রকমের পরিবর্তন হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিবর্তন এমনিতেই হবে না। রক্তক্ষয়ী এক সংগ্রামের মুখোমুখী আমরা হতে যাচ্ছি অনিবার্য ভাবেই। ওদিকে ডারতে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে মুসলিমদের ওপর ভয়াবহ নির্যাতন।
মোটকথা, সুনিশ্চিত এক যুগসন্ধিক্ষণের মুখোমুখী রয়েছি আমরা। রাজনীতিবিদদের ভাষায় এটা বৈশ্বিক পট পরিবর্তন, কিন্তু আমাদের ভাষায় চূড়ান্ত মালহামার ঘনঘটা দেখছি আমরা। তাদের ভাষায় এটা ওয়ার্ল্ড ওয়্যার হলেও আমাদের ভাষায় এটা গাযওয়াতুল হিন্দ বা খলিফাতুল্লাহিল মাহদীর আগমনী বার্তা, ইনশাআল্লাহ।
প্রিয় ভাইয়েরা আমার, কুফর-শিরক আর ঈমানের পতাকা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে। পরিষ্কার হচ্ছে আমাদের পথ ও পন্থা। এখন সিদ্ধান্ত আপনার, আপনি কোন পথে আগাবেন। আপনি যেই পথেই আগান না কেন, এক সুনিশ্চিত মালহামার সম্মুখীন আপনাকে হতেই হবে। কিন্তু সেদিন দেখবেন, তাওহীদ ও শিরকের শিবির সম্পূর্ণ আলাদা। তন্ত্র-মন্ত্র আর শরীয়াহ পতাকা আলাদা। পথ ভিন্ন হলে আপনার শিবিরও ভিন্ন হবে, পতাকাও ভিন্ন হবে। আমরা এক নিশ্চিত বিজয়ের দিকেই আগাচ্ছি ইনশাআল্লাহ, যেটা আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে হলেও আসবে আমাদের শিবিরেই ইনশাআল্লাহ।
ইয়াওমুল ফুরকান/ইয়াওমুল বদরের এই দিনে আপনি কোন কাফেলায় যুক্ত হতে চান সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন।
— তানজিল আরেফিন আদনান